জীবনী

ড. ম্যাক ইউরিঃ এক বাংলাদেশি সুপারম্যান

‘বজ্রমুনি বা থান্ডার শিনম্যান’ নামে পরিচিত ড. ম্যাক ইউরি বাংলাদেশের বাংশোদ্ভূত এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন শীর্ষস্থানীয় মার্শাল আর্ট গ্র্যান্ডমাস্টার। মনঃসংযোগ প্রশিক্ষণ, ধ্যান, প্রেরণাদায়ী বক্তা এবং আত্মরক্ষা কৌশল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছেন এই ব্যক্তি।

জন্ম এবং শৈশব 

ম্যাক ইউরি ১৯৬৪ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম শামসুল আলম এবং মা আমিনা আলম। তার বাবা ছিলেন তৎকালীন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী।

ম্যাক ইউরির পুরো নাম মোহাম্মদ আনোয়ারুল কামাল ইউরি। বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারী ইউরি আলেক্সেইভিচ্ গ্যাগারিনের নামানুসারে তার মা-বাবা তার নাম রাখেন ইউরি। সংক্ষেপে তাকে ম্যাক ইউরি নামে ডাকা হতো। 

ম্যাক ইউরি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভ শুরু করেন এলিজাবেথ মার্বেল প্রাইমারি স্কুলের মাধ্যমে। তখনই তিনি শারীরিক প্রশিক্ষণের উপরে একটি ছোট বই রচনা করেন এবং সেই বইটি তার বন্ধুদের মাঝে বিতরণ করেন। পঞ্চম শ্রেণী থাকাকালীন বন্ধুদের সহযোগিতায় শারীরিক প্রশিক্ষণ বিষয়ক একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। তখন তার বয়স মাত্র ১১ বছর। ঐ বয়সেই তিনি বার্মিজ বানশে ও ব্যান্ডো মার্শাল আর্টসের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং এসব বিষয়ে শিক্ষাগ্রহণ করেন। এরপর তিনি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ এ ভর্তি হন। সেখানেই তিনি একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি শৃঙ্খলা ও রণকৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেন।

চিত্রঃ কলেজে অধ্যয়নরত ‘ম্যাক ইউরি’

 মাত্র ১৫ বছর বয়সেই তিনি সামরিক বিজ্ঞান বিষয়ক একটি সংস্থার সাথে জড়িত হন এবং নিজ উদ্যোগে ‘সেলফ ডিফেন্স সোসাইটি’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থায় তিনি শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা, ধ্যান ও যোগশাস্ত্র বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতেন। 

কাঙ্ক্ষিত জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে যাত্রা

১৯৮১ সালে, মাত্র ১৭ বছর বয়সে মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেন ম্যাক ইউরি। মার্শাল আর্টস, ধ্যান, যোগশাস্ত্র এবং ভেষজ ঔষধ সম্পর্কে জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে পঞ্চাশটিরও বেশি দেশে অসংখ্যবার গিয়েছেন তিনি। দেশ বিদেশ ঘুরে ঘুরে অসংখ্য সাধু, সন্ত, গুরু ও সুফির নিকট দীক্ষা লাভ করেছেন তিনি। 

মার্শাল আর্টসের প্রশিক্ষণের জন্য মায়ানমারে যান এবং সেখানে বার্মিজ মার্শাল আর্টস বান্দো এবং বানশে সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ নেন ইউরি। ক্লাসিকাল থাইং মার্শাল আর্টস বান্দো এবং বানশে দিয়েই মূলত তার মার্শাল আর্টসের ক্যারিয়ার শুরু হয়।

মায়ানমারের প্রসিদ্ধ গ্র্যান্ডমাস্টার এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ব্যান্ডো এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট খিং মং জি 

বার্মিজ ব্যান্ডো মার্শাল আর্টসে সপ্তম ডিগ্রী ব্ল্যাক বেল্ট আর বানশেতে পঞ্চম ডিগ্রী ব্ল্যাক বেল্ট প্রদান করেন তাকে। 

চিত্রঃ গ্র্যান্ডমাস্টার খিং মং জি এর সাথে ম্যাক ইউরি

দক্ষিণ ভারতের কাঞ্চিপুরাম এবং চীনের শাওলিন টেম্পল থেকে মার্শাল আর্টসের অভ্যুথান বিষয়ে জানবার উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক তথ্য সংবলিত তামিল ও চীনা ভাষার দলিলাদি ও পুস্তকের অনূদিত প্রতিলিপি সংগ্রহ করেন তিনি। পরবর্তীতে দক্ষিণ ভারতের হাজার বছরের লুপ্তপ্রায় প্রাণঘাতী মার্শাল আর্টস ভার্মা কালাইয়ের প্রশিক্ষন গ্রহণ করেন ভার্মা কালাইয়ের প্রয়াত প্রখ্যাত গ্র্যান্ডমাস্টার আসান ভাস্করনের কাছ থেকে। এটা অনেকের ই অজ্ঞাত যে, চীনের শাওলিন মন্দিরের জগদ্বিখ্যাত মার্শাল আর্টসের সূচনা হয়েছিল দক্ষিণ ভারতের তামিল রাজপুত্র বোধিধর্মার হাতে। 

ম্যাক ইউরিই ভারতের ভার্মা কালাই আর চীনের শাওলিন মার্শাল আর্টসের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে পুনরাবিষ্কার করেন। এই অসামান্য অবদানের কারণে আসান ভাস্করন তাঁর ছাত্রকে ‘বজ্রমুনি’ উপাধিতে ভূষিত করেন।

চিত্রঃ আসান ভাস্করের সাথে ম্যাক ইউরি 

ম্যাক ইউরি দক্ষিণ ভারতের সর্বপ্রাচীন মার্শাল আর্ট কালারিপায়াত্তুর ও আয়ত্ত করে নেন। ভারত মহাসাগরের তীরে পাথরের উপরের আছড়ে পড়া ঢেউয়ের ছিটকে আসা পানির মাঝে ঢাল-তলোয়ার হাতে দীক্ষা নেন ৩,০০০ বছরেরও অধিক পুরাতন কালারিপায়াত্তু মার্শাল আর্টসের।

চিত্রঃ কালারিপায়াত্তু আয়ত্ত করছেন ম্যাক ইউরি

শুধু বিদেশী ব্যক্তি এবং শিক্ষা গ্রহণেই থেমে থাকেননি ইউরি। বাংলাদেশে লাঠি খেলার জনপ্রিয় পথিকৃৎ কুষ্টিয়ার প্রখ্যাত প্রয়াত সিরাজুল হক চৌধুরী’র সান্নিধ্যে ও গিয়েছেন তিনি। 

মার্শাল আর্ট এর পাশাপাশি লাটভিয়ায় সামরিক অস্ত্রের প্রশিক্ষণ, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সিকিউরিটি একাডেমি থেকে কমিশন অফিসার্স কোর্স এবং ইংল্যান্ডে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তাদানের (Close Protection) উপর সর্বোচ্চ SIA Level-3 ডিগ্রী এবং কাউন্টার সারভেইলেন্স এর উপর ওয়ার্কশপ করেন তিনি। 

কর্মজীবন

ম্যাক ইউরি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন আত্মরক্ষা কৌশল বিষয়ের প্রশিক্ষক হিসেবে।

তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, সামরিক বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন।

বিস্ফোরক অনুসন্ধান ও চিহ্নিতকরণ, অগ্নি-নির্বাপণ ও প্রতিরোধকরণ, বিভিন্ন স্থাপনা ও ক্ষেত্রে যেমন বিমান, ব্যাংক, সুউচ্চ দালান, ইত্যাদির পরিপূর্ণ নিরাপত্তা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন তিনি।

তিনি কমব্যাট সেলফ ডিফেন্স উদ্ভাবন করেন। ইউরী এমওয়াই ব্যাটন নামের একটি কন্ট্রোল ডিভাইস উদ্ভাবন করেছেন, এটি নিরাপত্তা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহের কাজে ব্যবহৃত হয়। তিনি অ্যামেরিকান সোসাইটি অফ ল এনফোর্সমেন্ট ট্রেইনারস-এর একজন প্রশিক্ষক।

তাঁর নিজের ‘Global Executive Protection and Security Training Agency (GEPSTA)’ নামে একটি নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ এজেন্সি আছে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁর উদ্ভাবিত ম্যাক ইউরি ব্যাটন (MY Baton) ব্যবহার করছে। তিনি অ্যামেরিকান সোসাইটি অব ল’ এনফোর্সমেন্ট ট্রেইনারস অর্থাৎ অ্যাসলেট-এর প্রশিক্ষক সদস্য।

অতিমানবীয় ক্ষমতা

১৯৯২ সালের ৬ এপ্রিল, প্রথম ‘ইত্যাদি’তে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক ম্যাক ইউরির ওপর একটি প্রতিবেদন প্রচার করা হয়। তারকাঁটার বিছানায় শোয়া ম্যাক ইউরির বুকের ওপর ২২ কেজি ওজনের পাথরের স্ল্যাব রেখে তার ছাত্ররা দুই পাশ থেকে হ্যামার দিয়ে আঘাত করে সেটা ভাঙে।

চিত্রঃ লাথি দিয়ে ৩ টি বেসবল ব্যট ভাঙ্গলেন ম্যাক ইউরি

২০১২ সালের ৭ মে, Superhuman Showdown প্রোগ্রামে একসাথে ৩ টি বেসবল ব্যাট ভেঙে ফেলে সবাই কে তাক লাগিয়ে দেন ম্যাক।

২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর ‘রিপ্লিস বিলিভ ইট অর নট- এর কমিক ভার্সনে ইউরির সাফল্যের কথা তুলে ধরা হয়। ঐ ভার্সনে কার্টুনের মাধ্যমে তার ছবি উল্লেখ করে লেখা হয়, “বাংলাদেশি মার্শাল আর্টস মাস্টার ম্যাক ইউরি; এক কিকে এক সাথে তিনটি স্টার্ন্ডাড সাইজের বেসবল ব্যাট ভেঙে ফেলতে পারেন।”

চিত্রঃ রিপলিসের প্রচ্ছদে ম্যাক ইউরি’র কার্টুন

অতিমানবীয় কাজের পিছনে রহস্য

প্রায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার ম্যাক ইউরির শরীরের অন্যতম বিশেষত্ব হচ্ছে তার পায়ের জঙ্ঘাস্থি৷ তার পায়ের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ইউরির পায়ের জঙ্ঘাস্থি অপেক্ষাকৃত পুরু। 

ডাক্তাররা ডায়নামো মিটার ও ট্রান্সক্র্যানিয়াল ম্যাগনেটিক স্টিম্যুলেটরের সাহায্যে ইউরির কোয়াড্রাটিক মাসল এক্সপেরিমেন্ট করেন। তারা দেখেন, ড. ম্যাক ইউরি তাঁর পায়ের ৯৬% পেশীকে একসাথে কাজে লাগাতে পারেন। গবেষকদের কাছে এটি ছিল এক অপার বিস্ময়। কারণ আমেরিকার ওয়েন ইউনিভার্সিটির গবেষক দলের মতে, প্রতিটি বেসবল ব্যাট ভাঙতে ৭৪০ পাউন্ড শক্তির দরকার!

তাছাড়া তিনি মুহূর্তের ভিতরে মস্তিষ্কের আলফা লেভেলে চলে যেতে পারতেন, যার কারণে তাঁর পক্ষে পেশীর প্রায় শতভাগ ব্যবহার করা সম্ভব হতো। আর এই শক্তি দিয়েই মাটির সমান্তরালে একসঙ্গে রাখা তিনটি সুপার হাই গ্রেড লুইসভিল স্লাগার গ্রান্ডস্ল্যাম বেসবল ব্যাট ভেঙ্গে ফেলতে পারেন তিনি।

ইউরি বজ্রমুনির মোট চারটি বিশ্বরেকর্ড এর অধিকারী। সারা বিশ্বে তিনি ‘থান্ডার শিন ম্যান’ বলে সুপরিচিত। তার পা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

‘ব্যুত্থান’ এ ইউরির অবদান

ব্যুত্থান একটি বাংলাদেশী মার্শাল আর্ট। মন ও দেহের আন্তঃসংযোগ এবং আত্মা ও সত্ত্বার আলোকায়নের উদ্দ্যেশ্যে বুত্থান মার্শাল আর্ট প্রতিষ্ঠা করেন ইউরি। এই জন্যে তাকে প্রাচীন ভারতীয় মনোদৈহিক পদ্ধতির আধুনিক জনক বলা হয়। এটি একদিকে যেমন মনোবিদ্যা, শারীরবিদ্যা, দর্শন, বজ্রপ্রাণ, সিদ্ধ ঔষধের অতি প্রাচীন জ্ঞানের সংকলন; তেমনি ভার্মা কালাই, বানশে, ব্যান্ডো, কালারিপায়াত্তু, বজ্রমুষ্টি, মিংজিংসহ প্রাচীন সভ্যতার বিভিন্ন ধরণের আত্মরক্ষার কৌশলের সম্মেলন।

চিত্রঃ ব্যুত্থান এ মনোনিবেশকারী ম্যাক ইউরি 

ম্যাক ইউরি তাঁর এই বুত্থান মার্শাল আর্টের প্রচার ও প্রসারে ইন্টারন্যাশনাল বুত্থান ফেডারেশন (IBUF) প্রতিষ্ঠা করেন। ইউরির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশেও চালু বুত্থান মার্শাল আর্টস; প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ বুত্থান ফেডারেশন (BBUF)। ২০১৩ সালে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বুত্থানকে খেলা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। বুত্থান মার্শাল আর্টস প্রতিষ্ঠাতার মাধ্যমে আচার্য বজ্রমুনি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেন । ধ্যান ও আত্মনির্মাণ, খালি হাতে আত্মরক্ষা আর সশস্ত্র নিরাপত্তা- এই তিনটি বিষয়েই তাঁর রয়েছে বিশ্বমানের পেশাদারী দক্ষতা ও সক্ষমতা।

পৃথিবীব্যাপি মার্শাল আর্ট উন্নয়নে ইউরির অবদান

ম্যাক ইউরি মার্শাল আর্ট ও ধ্যানবিজ্ঞানের উপর বিভিন্ন সময়ে অনেকগুলো বই লিখেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কিছু বইয়ের নাম হচ্ছেঃ- সহজ বজ্রপ্রাণ, হাইট অব জিরো, ডোর টু ইনফিনিটি, লাইট অব ডার্কনেস, বুত্থান মেডিটেশন, এসেন্স অব মাস্টারি ইত্যাদি।

বর্তমানে ইউরি ৪০ রকমের মার্শাল আর্ট পদ্ধতির ওপর অভিজ্ঞ। 

পুরস্কার 

ম্যাক ইউরির অর্জিত পুরস্কারসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু পুরস্কার হচ্ছেঃ

১. ইয়ুথ ইন্সপারেশন অ্যাওয়ার্ড ২০১৫ – সিটি ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্ক

২. ব্র্যান্ড বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০১৩ – বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম

৩. মোস্ট আউটস্ট্যান্ডিং পারফর্মারস অ্যাওয়ার্ড ২০১১ – ইন্টারন্যাশনাল মার্শাল আর্টস এক্সিবিশন, ইউকে

৪. গ্র্যান্ড মাস্টার পিনাকল অ্যাওয়ার্ড ওয়ার্ল্ড – গ্র্যান্ড মাস্টার্স কাউন্সিল, ইউএসএ, ২০০৯

৫. গ্র্যান্ড মাস্টার অফ দ্যা ইয়ার – লন্ডন মার্শাল আর্টস হল অফ ফেম, ইউকে, ২০০৯

৬. গ্র্যান্ড মাস্টার অফ দ্যা ইয়ার – ওয়ার্ল্ড ব্ল্যাক বেল্ট মার্শাল আর্টস হল অফ ফ্রেম, মালয়েশিয়া, ২০০৮

৭. গ্র্যান্ড মাস্টার অফ দ্যা ইয়ার – ইউনিভার্সাল মার্শাল আর্টস হল অফ ফেম, ইউএসএ, ২০০৭

৮. গ্র্যান্ড মাস্টার অফ দ্যা ইয়ার – ওয়ার্ল্ড ব্ল্যাক বেল্ট মার্শাল আর্টস হল অফ ফ্রেম, ইউএসএ, ২০০৭

উপাধি

১. থাম সিং পা – মায়ানমার থাইং (মার্শাল আর্ট) ফেডারেশন, ২০০৫ 

২. সোনালি নখের শান্তির ড্রাগন (Peaceful Dragon with Golden Claw)- ভুটানের রাজকীয় পরিবার, ২০০৬

৩. ‘বজ্রমুনি বা থান্ডার শিনম্যান’- আসান ভাস্করন

লেখক- সায়মা আফরোজ (নিয়মিত কন্ট্রিবিউটর AFB Daily)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Show More

এই জাতীয় আরো পোস্ট

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button