ইতিহাস

১৭২০ সালের ফ্রান্সের ভয়াবহ প্লেগ মহামারির ইতিহাস | যুগে যুগে মহামারি ।

সাম্প্রতিক বছর গুলোতে সংক্রামক নানা রোগের উত্থানের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দাড়িয়েছে। অতীতের মত এখনও সংক্রামক রোগ গুলো আমাদের স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামাজিক আচরণ এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গুলোকে তীব্রভাবে প্রভাবিত করে।একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, অতীতে যেসব সংক্রামক রোগ মহামারী আকার ধারণ করেছিলো সেগুলো সব মূলত বাণিজ্যিক পরিবহণের মাধ্যমে এক দেশ থেকে অন্য দেশে ছড়িয়েছিলো। ইতিহাস জুড়ে, ফ্রান্সের দক্ষিণে মার্সেইল শহর (Marseille) সহ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল গুলোতে অসংখ্য সময় বিভিন্ন ধরনের ভয়ানক মহামারী দেখা দেয়। ১৭২০ সালে ফ্রান্সের মার্সেইল (Marseille) শহরে যে ভয়ানক মহামারী দেখা গিয়েছিল সেটা ছিল বিউবোনিক বা বুবোনিক প্লেগ (Bubonic Plague) ।

১৫৮০ সালের মহামারী শেষে, মার্সেইল শহরের অধিবাসীরা ভবিষ্যতে সংক্রামক রোগের বিস্তারকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য উল্লেখযোগ্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। মার্সেইল এর সিটি কাউন্সিল একটি স্যানিটেশন বোর্ড (sanitation board) স্থাপন করে। সিটি কাউন্সিলের কিছু সদস্য এবং শহরের কিছু দক্ষ চিকিৎসক নিয়ে এই বোর্ডটি গঠন করা হয়েছিল। বোর্ড প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখটি অজানা। তবে এর অস্তিত্বের বিষয়টি সর্বপ্রথম আইক্স সংসদের (Parliament of Aix) একটি পাঠে উল্লেখ করা হয়েছিল। নতুন প্রতিষ্ঠিত স্যানিটেশন বোর্ড (sanitation board) নগরীর স্বাস্থ্য বজায় রাখতে একাধিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল। তারা মার্সেইল (Marseille) শহরের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অনেক সংখ্যক আমলা নিয়গ করেছিল। শহরকে বহিরাগত বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি স্যানিটেশন বোর্ড জনসাধারণের অবকাঠামো তৈরির চেষ্টা করেছিল। মার্সেইল এর প্রথম পাবলিক হাসপাতালও এই সময়কালে নির্মিত হয়েছিল। হাসপাতালটিতে ডাক্তার এবং নার্স সহ একটি পূর্ণ মাপের স্টাফ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও স্যানিটেশন বোর্ড স্থানীয় চিকিৎসকদের স্বীকৃতি প্রদান করতো। একটি মহামারী চলাকালীন সময়ে প্রচুর পরিমাণে ভুল তথ্য প্রচার ও প্রসার হতো । এমনটি যাতে না হয় এইজন্য স্যানিটেশন বোর্ড নাগরিকদের মাঝে বিশ্বাসযোগ্য এবং দক্ষ ডাক্তারদের একটি তালিকা সরবরাহ করার চেষ্টা করেছিল। উক্ত স্যানিটেশন বোর্ডটি হলো মার্সেইল শহর দ্বারা গঠিত প্রথম নির্বাহী সংস্থাগুলির মধ্যে একটি। বোর্ডের ক্রমবর্ধমান দায়িত্বকে সহজ করার জন্য এর সাথে অনেক স্বেচ্ছাসেবক যুক্ত ছিল।

স্যানিটেশন বোর্ডের আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল, এই বোর্ডের সদস্যরা বা তাদের প্রতিনিধিদের একটি দল, অন্য শহর বা দেশ থেকে বাণিজ্যিক বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে আগত জাহাজকে স্বাগত জানাতে যেত। উক্ত প্রতিনিধিদের দল জাহাজের ক্যাপ্টেনের কক্ষ সহ সম্পূর্ণ জাহাজটিকে পর্যালোচনা করতো। জাহাজটি যেসব শহরে প্রবেশ করেছে তা রেকর্ড করতো। প্রতিনিধি দলটি সমস্ত কার্গো, ক্রু এবং যাত্রীদেরও পরিদর্শন করে সম্ভাব্য রোগের লক্ষণগুলির সন্ধান করতো। দলটি যদি রোগের লক্ষণ খুঁজে পেতো তবে জাহাজটিকে কোনো ভাবেই মার্সেইল শহরে নামতে দেওয়া হতো না। আর যদি জাহাজটি প্রথম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতো এবং রোগের কোনও লক্ষণ যদি না দেখা যেত, তবে জাহাজটির ভ্রমণপথটি খাতায় রেকর্ড করা হতো এবং জাহাজটিকে মার্সেইল বন্দরের বাইরে একটি দ্বীপে কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ করা হতো। প্রত্যেকটি জাহাজকে মার্সেইল শহরের অদূরে একটি দ্বীপে ন্যূনতম ১৮ দিন কোয়ারান্টাইনে অবস্থান করতে হতো । এই সময়ের মধ্যে, জাহাজের নাবিকদের কে শহরটির চারপাশে নির্মিত ল্যাজারেট্টো (Lazaretto) বা ল্যাজারেট (Lazaret) গুলোর একটিতে রাখা হত। সংক্রামক রোগে আক্রান্ত লোকদের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি বিচ্ছিন্ন হাসপাতালগুলো কে ল্যাজারেট্টো (Lazaretto) বা ল্যাজারেট (Lazaret) বলা হত । এগুলো পৃথক পৃথক বিভিন্ন স্টোরেজে সজ্জিত ছিল এবং অনেকগুলি জাহাজের যাত্রী ও নাবিকদেরদের থাকার জন্য যথেষ্ট বড় ছিল। নাবিকদের যদি প্লেগ (plague) বা সংক্রামক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকতো তবে তাদের আরও বিচ্ছিন্ন পৃথক পৃথক স্থানে পাঠানো হতো, যা মার্সেইল বন্দরের উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপে নির্মিত হয়েছিল। নাবিক এবং যাত্রীদের প্লেগ (plague) বা মহামারীর কোনও চিহ্ন বিকাশ হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য সেখানে ৫০ থেকে ৬০ দিন অপেক্ষা করতে হতো। নাবিকরা উক্ত সময় অতিবাহিত করার পরে তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য এবং প্রস্থানের পূর্বে নিজেদের কে উপভোগ করার জন্য শহরে প্রবেশের অনুমতি লাভ করতো।

১৭২০ সালে “ইয়েরসিনিয়া পেস্টিস” (Yersinia Pestis) নামক একটি ভয়ানক ভাইরাস “গ্র্যান্ড-সেন্ট-এন্টোইন” ( Grand-Saint-Antoine) বণিক জাহাজের মাধ্যমে লেভান্ট (Levant) থেকে মার্সেইল (Marseille) বন্দরে এসে পৌঁছে। জাহাজটি লেবাননের(Lebanon) সিডন (Sidon) থেকে রওনা হয়েছিল এবং মার্সেইল (Marseille) শহরে প্রবেশের পূর্বে স্মির্ণা (Smyrna), ত্রিপোলি (Trypoly) এবং প্লেগজনিত সাইপ্রাসে (Cyprus) গমন করেছিল। একজন তুর্কি যাত্রী প্রথম এই ভাইরাসে সংক্রামিত হয় এবং শীঘ্রই মারা যান। তারপরে বেশ কয়েকজন নাবিক আক্রান্ত হয়ে পড়ে। যার কারণে জাহাজটি কে লিভর্নো (Livorno) বন্দরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। জাহাজটি মার্সেইল (Marseille) শহরে পৌঁছলে বন্দর কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে জাহাজটির সকল যাত্রী এবং নাবিকদের কে লাজারেটে পৃথক পৃথক ভাবে অবস্থান করার নির্দেশ দেয়। লেভান্টের (Levant) সাথে ফরাসী বাণিজ্যে মার্সেইলের একচেটিয়া ব্যবসা থাকার কারণে, এই গুরুত্বপূর্ণ বন্দরটির গুদামগুলিতে বিশাল পরিমাণ আমদানি করার সামগ্রী ছিল। এটি মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চল এবং নিউ ওয়ার্ল্ডে উদীয়মান বাজার গুলোর সাথেও মার্সেইল শহরের বাণিজ্যকে সম্প্রসারণ করেছিল। এসকল কারণে নগরের শক্তিশালী বণিকরা মধ্যযুগীয় বেউকায়ারের (Beaucaire ) মেলাতে পন্য বিক্রির জন্য জন্য জাহাজের সিল্ক এবং সুতির কার্গো চেয়েছিলেন । তারা কর্তৃপক্ষকে জাহাজের কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাটি উত্তোলনের জন্য চাপ দিতে থাকে। কোয়ারেন্টাইন উত্তোলনের কিছুদিন পরেই শহরে এই ভয়ানক রোগ ছড়িয়ে পড়ে। জীবাণুর সংস্পর্শে আসার ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে সকল উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতো। আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রথমে প্রচন্ড জ্বর, সর্দি- কাশি, প্রচন্ড মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ,বমি এবং বুক ব্যথা দেখা দিত। ত্বকের যে স্থান দিয়ে জীবাণু প্রবেশ করতো তার নিকটবর্তী লসিকাগ্রন্থি গুলো ফুলে যেতো এবং প্রচন্ড ব্যথা হতো। মাঝেমধ্যে আবার ফোলা লসিকাগ্রন্থিগুলো ফেটে যেতো। সংক্রমণের প্রায় কয়েক দিনের মধ্যেই সকল হাসপাতাল গুলো দ্রুত পূর্ণ হয়ে যায়। শহরের বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থদের কে তাদের বাড়ি এবং শহর থেকে বহিষ্কার করে। গণকবর খনন করা হয় এবং তা অতি দ্রুত লাশ দ্বারা পূরণ হয়ে যায়। অল্প সময়ে অবস্থা এত বেশি খারাপ হয়ে যায় যে হাজার হাজার মৃতদেহ শহরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। শহরের চারপাশে স্তূপাকারে মানুষ লাশ ফেলে রাখতো।

মহামারীর বিস্তার ঠেকানোর জন্য আইক্স পার্লামেন্টে (Parliament of Aix) একটি আইন পাশ করে। উক্ত আইন অনুসারে মার্সেইল এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য শহরে গমন করা ছিল মৃত্যুদণ্ড যোগ্য অপরাধ । এই বিচ্ছেদ কার্যকর করার জন্য, গ্রামাঞ্চলে একটি প্লেগ প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল। যাকে মুর দে লা পেস্তে (mur de la peste) বলা হতো। প্রাচীরটি শুকনো পাথর দ্বারা নির্মিত হয়েছিল, এটি ২ মিটার উঁচু এবং ৭০ সে মি পুরু ছিল। প্রাচীরের পিছনে গার্ড পোস্ট গুলো সেট করা হয়েছিল। প্রাচীরের অবশিষ্টাংশগুলি এখনও মালভূমি ডি ভক্লুসের (Plateau de Vaucluse ) বিভিন্ন অংশে দেখা যায়।

মহামারীর সূচনাকালে নিকোলাস রোজ ( Nicolas Roze) নামক পেলোপনিস (Peloponnese) উপকূলের একটি কারখানায় উপ-কনসাল, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মহামারী ঠেকাতে কিছু প্রস্তাব পেশ করেন। তিনি সংক্রামক রোগ এবং মহামারীর ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। তাকে কর্তৃপক্ষ রিভ-নিউইউ ( Rive-Neuve ) পাড়ার সাধারণ কমিশনার হিসেবে নির্ধারণ করেন। তিনি উক্ত এলাকায় চেকপয়েন্ট স্থাপন করে পৃথকীকরণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং লুটকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসাবে তাদেরকে ফাঁসির গাঁথুনি পর্যন্ত পৌঁছে দেন । তিনি পাঁচটি বৃহত্তর গণকবর খননের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশেই লা করর্ডিরির (La Corderie) বিশাল মাঠ কে হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছিল। তিনি জনসাধারণের মাঝে প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রীও পৌঁছে দেন।

উক্ত সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১৭ তারিখ তিনি ব্যক্তিগতভাবে স্বেচ্ছাসেবক এবং জেলখানার কয়েদিদের নিয়ে একটি ১৫০ সদস্যের শক্তিশালী দল গঠন করেন। তিনি সরাসরি এই দলকে নেতৃত্ব দিয়ে এসপ্ল্যানেড দে লা টুরেটের (Esplanade de la Tourette) দরিদ্র পাড়ায় ১২০০ লাশ সরিয়ে ছিলেন। কিছু লাশ তিন সপ্তাহের ও বেশি পুরানো ছিল । লাশগুলোর এত বেশি খারাপ অবস্থা হয়ে গিয়েছিল যে এগুলো পচে-গলে এগুলো থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ বের হতো । এগুলো এত বেশি বিকৃত হয়ে গিয়েছিল যে এগুলো যে মানুষের লাশ তাই অনেক ক্ষেত্রে বোঝা সম্ভব ছিল না । নিকোলাসের দলটি মৃতদেহগুলো কে খোলা গর্তে ফেলে মাটি দিয়ে পুতে ফেলতো। মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করা ১২০০ স্বেচ্ছাসেবক এবং বন্দিদের মধ্যে কেবল তিনজনই বেঁচে ছিলেন। নিকোলাস রোজ নিজেও এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন, যদিও আধুনিক ওষুধ ব্যতীত বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিলো ২০% থেকে ৪০% এর মধ্যে ।

মহামারী চলাকালীন দু’বছরের সময়কালে, মার্সিয়েল শহরে হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। । প্লেগ উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে অন্যান্য অঞ্চলে অতিরিক্ত ৫০,০০০ লোক মারা যায় । অবশেষে সংক্রামক রোগটি আইক্স-এন-প্রোভেনস (Aix-En-Provence ) ,আরলেস (Arles) , অ্যাপ্ট (Apt) এবং টুলন (Toulon) শহরে পৌঁছে যায়। বৃহত্তর অঞ্চলে জনসংখ্যার সামগ্রিক মৃত্যুর হার ছিল ২৫% থেকে ৫০% এর মধ্যে । যেখানে মার্সেইল শহরে মোট জনসংখ্যার মৃত্যুর হার ছিল প্রায় ৪০%, টুলন (Toulon) শহরে ৫০% , এবং আইক্স (Aix) এবং আরলেস (Arles) শহরে ২৫%।

মহামারীটি হ্রাস পাওয়ার পরে, রাজকীয় সরকার বন্দরে মহামারীর বিস্তার ঠেকানোর জন্য পূর্বের থেকে আরো অধিক জোরদার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তারা ওয়াটারসাইড লাজারেট ডি আরেনক ( waterside Lazaret d’Arenc ) নির্মাণ করে বন্দরের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেন। পশ্চিম ইউরোপে এই মহামারীটির পর আর কোনো ভয়ানক মহামারী দেখা যায়নি। এই মহামারীতে প্রায় ১০০,০০০ জন মানুষ মৃত্যুবরণ করে। শুধুমাত্র মার্সেইল (Marseille) শহরেই মারা যায় প্রায় ৫০,০০০ এর অধিক মানুষ । এই ভয়াবহ মহামারীর পর অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপ পুনরুদ্ধারে মাত্র কয়েক বছর সময় লেগেছিল । কারণ এই মহামারীর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ (West Indies) এবং ল্যাটিন আমেরিকায় (Latin America) পশ্চিম ইউরোপের বাণিজ্য সম্প্রসারিত হয়। কিন্তু এই মহামারীর ফলস্বরূপ পশ্চিম ইউরোপ এত বেশি মৃত্যু দেখেছিল যে ১৭৬৫ সালে অবশেষে জনসংখ্যা আবার ১৭২০ সালের প্রাক মহামারী পশ্চিম ইউরোপের জনসংখ্যাতে ফিরে আসে।

এর অনেক অনেক বছর পরে , ২০১২ সালে মার্সেইল শহরের পৌর কর্তৃপক্ষ একটি প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়। আর তা ছিল একটি “লাজেরেট্টো” (Lazaretto) বা “লাজেরেট” (Lazaret) স্থানের অবশিষ্ট। উক্ত লাজারেট্টোটি একটি ইনফার্মারি দিয়ে সজ্জিত ছিল । ২০১২ সালের ১ই সেপ্টেম্বর, “গ্র্যান্ড সেন্ট আন্টোইন” (Grand-Saint-Antoine) জাহাজটির নোঙ্গরটি উদ্ধার করা হয়। ১৭২০ সালে মার্সেইল ( Marseille) শহরের ভয়াবহ প্লেগ আনার জন্য এই জাহাজটিই‌ দায়ী ছিল। এর কারণেই ১৭২০ সালে মার্সেইল ( Marseille) শহরটি মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিলো।

তথ্য সূত্র :

Wikipedia

europepmc.org

sciencedirect.com

history.com

Show More

এই জাতীয় আরো পোস্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button